আসসালামু আলাইকুম কিছুদিন আগে স্বামী এস এম এসে তালাক দিয়েছে। সে হানাফী মাযহাবের ছিল। এখন সে বলতেছে সে তখন কোন আলেমের ফতোয়া গ্রহণ করেনি সে অনুযায়ী আমল করেনি কোন আলেমের ফতোয়া শুনেওনি। সে এখন আহলে হাদিসের ফতোয়া শুনেছি যে এসএমএসে তালাক দিতে স্বামীর নিয়ত থাকা লাগে। সে বলেছে তার নিয়ত ছিল না এখন কি ওই তালাক কার্যকর হবে
Md Nazmul Azam Changed status to publish
হানাফী ফিকহ অনুযায়ী, পরিষ্কার ভাষায় লিখিত তালাক (যেমন: চিঠি, ইমেইল বা মোবাইলের এসএমএস)-কে মুখের স্পষ্ট উচ্চারণের মতোই গণ্য করা হয়। যদি মেসেজের ভাষা এমন স্পষ্ট হয় যা দ্বারা তালাকই বোঝায় (যেমন: “তোমাকে তালাক দিলাম”), তবে সেখানে স্বামীর মনে তালাকের নিয়ত বা ইচ্ছা থাকুক আর নাই থাকুক, তালাক কার্যকর হয়ে যায়। তিনি যদি তখন কোনো আলেমের ফতোয়া না-ও শুনে থাকেন, তবুও তার কাজের কারণে শরীয়তের এই অমোঘ নিয়ম স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে গেছে।
ইসলামী শরীয়তের একটি সুপরিচিত নিয়ম হলো, কোনো ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর নিজের সুবিধা অনুযায়ী মাজহাব পরিবর্তন করে পূর্বের ঘটনাকে বাতিল করা যায় না। আপনার স্বামী যখন এসএমএসটি পাঠিয়েছিলেন, তখন তিনি হানাফী মাজহাবের অনুসারী ছিলেন। অতএব, তৎকালীন অবস্থা অনুযায়ী তার ওপর হানাফী ফিকহের নিয়মই প্রযোজ্য হয়েছে এবং তালাকটি তখনই পতিত হয়ে গেছে। এখন আহলে হাদিসের ফতোয়া অনুযায়ী “নিয়ত ছিল না” অজুহাত দিয়ে পূর্বের ঘটে যাওয়া তালাককে প্রত্যাহার বা অস্বীকার করার কোনো বৈধ পথ নেই। আর নিয়ত না থাকলে সে এসএমএস পাঠাতো না। এসএমএসে যদি তিন তালাক লিখে থাকে তাহলে তা কার্যকর হয়ে যাবে।
Md Nazmul Azam Changed status to publish
ISLAMIC DAWAH FOUNDATION The truth is revealed to Islam