Friday , May 29 2026

সালাত আদায়ের পদ্ধতি (পর্ব-০২)

তাকবীরের সময় হাত কতটুকু উত্তোলন করবেন

দলিল নং- ৬৯। সহীহ মুসলিম হাদিস নং-৩৯১

عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا كَبَّرَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا أُذُنَيْهِ وَإِذَا رَكَعَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا أُذُنَيْهِ وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ فَقَالَ ‏ “‏ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏”‏ ‏.‏ فَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ

মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাকবীর বলতেন, কান পর্যন্ত উভয় হাত উত্তোলন করতেন। তিনি যখন রুকূ’তে যেতেন উভয় হাত কান পর্যন্ত উত্তোলন করতেন। তিনি যখন রুকু থেকে মাথা তুলতেন তখন “সামি’আল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলতেন এবং অনুরূপ (কান পর্যন্ত উভয় হাত উত্তোলন) করতেন।

দলিল নং- ৭০। সহীহ বুখারী হাদিস নং-৭৩৮

أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ رضى الله عنهما افْتَتَحَ التَّكْبِيرَ فِي الصَّلاَةِ فَرَفَعَ يَدَيْهِ حِينَ يُكَبِّرُ حَتَّى يَجْعَلَهُمَا حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ وَإِذَا كَبَّرَ لِلرُّكُوعِ فَعَلَ مِثْلَهُ وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَعَلَ مِثْلَهُ وَقَالَ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ وَلاَ يَفْعَلُ ذَلِكَ حِينَ يَسْجُدُ وَلاَ حِينَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنْ السُّجُودِ

আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তাকবীর দিয়ে সালাত শুরু করতে দেখেছি,তিনি যখন তাকবীর বলতেন তখন তাঁর উভয় হাত উঠাতেন এবং কাঁধ বরাবর করতেন। আর যখন রুকূ’র তাকবীর বলতেন তখনও এ রকম করতেন। আবার যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলতেন, তখনও এ রকম করতেন এবং رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ  বলতেন। কিন্তু সিজদা্য় যেতে এ রকম করতেন না। আর সিজদা্ হতে মাথা উঠাবার সময়ও এমন করতেন না।

টিকাঃ হাত কান বরাবর ও কাধ বরাবর উঠানো দুটিই সহীহ হাদিস থেকে পাওয়া যায়। তাই দুটিই আমলযোগ্য

হাত কোথায় বাঁধবেন

দলিল নং- ৭১। সহীহ বুখারী হাদিস নং- ৭৪০

عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ كَانَ النَّاسُ يُؤْمَرُونَ أَنْ يَضَعَ الرَّجُلُ الْيَدَ الْيُمْنَى عَلَى ذِرَاعِهِ الْيُسْرَى فِي الصَّلاَةِ 

সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকদের নির্দেশ দেয়া হত যে, স্বলাতে প্রত্যেক ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে।

দলিল নং- ৭২। আবু দাউদ হাদিস নং ৭৫৯ (হাদিসের মান সহীহ)

 عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَضَعُ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى يَدِهِ الْيُسْرَى ثُمَّ يَشُدُّ بَيْنَهُمَا عَلَى صَدْرِهِ وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ ‏

তাউস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযরত অবস্থায় ডান হাত বাম হাতের উপর স্থাপন করে তা নিজের বুকের উপর বেঁধে রাখতেন।

টিকাঃ আমি ব্যক্তিগত ভাবে হাত বাধার ব্যাপারে যতগুলো হাদিস পেয়েছি তার বেশিরভাগ হাদিসে বলা হয়েছে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে, অল্প কিছু হাদিসে বলা হয়েছে বুকের উপরে হাত রাখতেন। আর আবু দাউদ এ তিনটি হাদিস পাওয়া যায় ৭৫৬, ৭৫৭, ৭৫৮ নং হাদিস নাভির নিচে হাত বাধার কথা উল্লেখ রয়েছে এই হাদিসগুলোকে আবু দাউদ নিজেই যঈফ বলেছেন। তাই অধিকাংশ আলেমদের মতে স্বলাতে “ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে এই মতটি বেশি গ্রহনযোগ্য। এই ভাবে হাত রাখলে সাধারনত হাত নাভির উপরে থাকে।  

সানা পড়া

দলিল নং- ৭৩ সহীহ বুখারী হাদিস নং ৭৪৪

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عُمَارَةُ بْنُ الْقَعْقَاعِ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْكُتُ بَيْنَ التَّكْبِيرِ وَبَيْنَ الْقِرَاءَةِ إِسْكَاتَةً ـ قَالَ أَحْسِبُهُ قَالَ هُنَيَّةً ـ فَقُلْتُ بِأَبِي وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِسْكَاتُكَ بَيْنَ التَّكْبِيرِ وَالْقِرَاءَةِ مَا تَقُولُ قَالَ ‏ “‏ أَقُولُ اللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَاىَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اللَّهُمَّ نَقِّنِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَاىَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ ‏”‏‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীরে তাহরীমা ও ক্বিরাআতের মধ্যে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকতেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার মাতাপিতা আপনার উপর কুরবান হোক, তাকবীর ও কিরাআত এর মধ্যে চুপ থাকার সময় আপনি কী পাঠ করে থাকেন? তিনি বললেনঃ এ সময় আমি বলি-

‘‘হে আল্লাহ! আমার এবং আমার গুনাহের মধ্যে এমন ব্যবধান করে দাও যেমন ব্যবধান করেছ পূর্ব এবং পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ আমাকে আমার গুনাহ হতে এমনভাবে পবিত্র কর যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়। হে আল্লাহ আমার গোনাহকে বরফ, পানি ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দাও।’’ (মুসলিম ৫/২৭, হাঃ ৫৯৮, আহমাদ ৭১৬৭)

দোয়াটি হলোঃ

اللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَاىَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اللَّهُمَّ نَقِّنِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَاىَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ

অর্থঃ ‘‘হে আল্লাহ! আমার এবং আমার গুনাহের মধ্যে এমন ব্যবধান করে দাও যেমন ব্যবধান করেছ পূর্ব এবং পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ আমাকে আমার গুনাহ হতে এমনভাবে পবিত্র কর যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়। হে আল্লাহ আমার গোনাহকে বরফ, পানি ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দাও।’’

দলিল নং- ৭৪। সহীহ মুসলিম হাদিস নং ৭৭১

عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ قَالَ ‏”‏ وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ إِنَّ صَلاَتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ

আলী ইবনু আবূ তুলিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সালাত আদায় করতে দাঁড়াতেন তখন এ বলে শুরু করতেনঃ

আমি একনিষ্ঠ হয়ে আমার মুখ সে মহান সত্তার দিকে ফিরিয়ে নিলাম যিনি আসমান ও জমিনকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও মৃত্যু সবকিছুই আল্লাহর জন্য যিনি বিশ্বজাহানের প্রতিপালক। তার কোন শারীক নেই। আমি এ জন্যই আদিষ্ট হয়েছি। আমি মুসলিম বা আত্মসমর্পণকারী।

দোয়াটি হলোঃ

 وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ إِنَّ صَلاَتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ

অর্থঃ আমি একনিষ্ঠ হয়ে আমার মুখ সে মহান সত্তার দিকে ফিরিয়ে নিলাম যিনি আসমান ও জমিনকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। আমার স্বলাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও মৃত্যু সবকিছুই আল্লাহর জন্য যিনি বিশ্বজাহানের প্রতিপালক। তার কোন শারীক নেই। আমি এ জন্যই আদিষ্ট হয়েছি। আমি মুসলিম বা আত্মসমর্পণকারী।

দলিল নং- ৭৫। আবু দাউদ হাদিস নং ৭৭৫ (হাদিসের মান সহীহ)

 عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ كَبَّرَ ثُمَّ يَقُولُ ‏”‏ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ ‏”‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقُولُ ‏”‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏”‏ ‏.‏ ثَلاَثًا ثُمَّ يَقُولُ ‏”‏ اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا ‏”‏ ‏.‏ ثَلاَثًا ‏”‏ أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ ‏”‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقْرَأُ‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রাত্রিকালে স্বলাত আদায় করার জন্য দন্ডায়মান হতেন, তখন তাকবীর তাহরীমা বলার পর এই দু’আ পাঠ করতেনঃ “সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা’আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গায়রুকা।” অতঃপর তিনি তিনবার “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলতেন এবং “আল্লাহু আকবার কাবীরান” তিনবার বলার পর “আউযুবিল্লাহিস সামীইল-আলীম মীনাস শাইতানের রজীম মিন হামযিহি ওয়া নাফখিহি ওয়া নাফছিহি” বলতেন, অতঃপর ক্বিরাআত পাঠ করতেন।

দোয়াটি হলোঃ

 سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ 

অর্থঃ হে আল্লাহ্! আমি তোমার পবিত্র’তা বর্ণনা করছি। তুমি প্রশংসা’ময়, তোমার নাম বরকত’ময়, তোমার মর্যাদা অতি উচ্চে, আর তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মাবুদ নেই।

টিকাঃ আমরা অনেকে শুধুমাত্র একটি সানা পরে থাকি কিন্তু সহীহ হাদিস থেকে দেখা যায় রসুল (সঃ) একাধিক সানা পড়েছেন। তাই আমাদের এই সুন্নাতটি গ্রহন করা উচিত।

আউজুবিল্লাহ… পড়া

দলিল নং- ৭৬। সুরা আন নাহাল আয়াত ৯৮

فَاِذَا قَرَاۡتَ الۡقُرۡاٰنَ فَاسۡتَعِذۡ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّیۡطٰنِ الرَّجِیۡمِ

“সুতরাং যখন আপনি কুরআন পাঠ করবেন, তখন অভিশপ্ত শয়তান হতে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করুন”

দলিল নং- ৭৭। আবু দাউদ হাদিস নং ৭৭৫ (হাদিসের মান সহীহ)

 عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ كَبَّرَ ثُمَّ يَقُولُ ‏”‏ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ ‏”‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقُولُ ‏”‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏”‏ ‏.‏ ثَلاَثًا ثُمَّ يَقُولُ ‏”‏ اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا ‏”‏ ‏.‏ ثَلاَثًا ‏”‏ أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ ‏”‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقْرَأُ‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রাত্রিকালে স্বলাত আদায় করার জন্য দন্ডায়মান হতেন, তখন তাকবীর তাহরীমা বলার পর এই দু’আ পাঠ করতেনঃ “সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা’আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গায়রুকা।” অতঃপর তিনি তিনবার “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলতেন এবং “আল্লাহু আকবার কাবীরান” তিনবার বলার পর “আউযুবিল্লাহিস সামীইল-আলীম মীনাস শাইতানের রজীম মিন হামযিহি ওয়া নাফখিহি ওয়া নাফছিহি” বলতেন, অতঃপর ক্বিরাআত পাঠ করতেন।

টিকাঃ উপরোক্ত আয়াত ও হাদিস থেকে বুঝা যায় কুরআন পাঠ করা শুরুতে অভিশপ্ত শয়তান হতে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করতে হবে। তাই স্বালাতের শুরুতে সানার পরে  أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ পড়া যাবে।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম পড়া

দলিল নং- ৭৮। সুরা আন নামলের ৩০ নং আয়াত

اِنَّهٗ مِنۡ سُلَیۡمٰنَ وَ اِنَّهٗ بِسۡمِ اللّٰهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ

“নিশ্চয় এটা সুলাইমানের কাছ থেকে এবং নিশ্চয় এটা রহমান, রহীম আল্লাহর নামে”

বিসমিল্লাহ পড়া নিয়ে মতবেদ রয়েছে,

বিসমিল্লাহ্‌ পড়া মুস্তাহাব; ওয়াজিব নয়। যদি সূরার প্রথম থেকে পড়ে সেক্ষেত্রে বিসমিল্লাহ্‌ পড়া মুস্তাহাব। মুসল্লি সূরা ফাতিহা পড়ার আগে বিসমিল্লাহ্‌ পড়বে। পক্ষান্তরে, সূরা ফাতিহার পরের তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে যদি কোন সূরার শুরু থেকে পড়ে তাহলে বিসমিল্লাহ্‌ পড়বে; তবে সূরা তাওবা ছাড়া। কেননা সূরা তাওবার প্রথমে বিসমিল্লাহ্‌ পড়া যায় না। আর যদি কোন সূরার মাঝখান থেকে পড়ে তাহলে বিসমিল্লাহ্‌ পড়া মুস্তাহাব নয়।

সুরা ফাতেহা পড়া

দলিল নং- ৭৯। সহীহ মুসলিম হাদিস নং ৩৯৫

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏”‏ مَنْ صَلَّى صَلاَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهْىَ خِدَاجٌ – ثَلاَثًا – غَيْرُ تَمَامٍ ‏”‏ ‏.‏ فَقِيلَ لأَبِي هُرَيْرَةَ إِنَّا نَكُونُ وَرَاءَ الإِمَامِ ‏.‏ فَقَالَ اقْرَأْ بِهَا فِي نَفْسِكَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏”‏ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى قَسَمْتُ الصَّلاَةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي نِصْفَيْنِ وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ فَإِذَا قَالَ الْعَبْدُ ‏(‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ‏)‏ ‏.‏ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى حَمِدَنِي عَبْدِي وَإِذَا قَالَ ‏(‏ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ‏)‏ ‏.‏ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى أَثْنَى عَلَىَّ عَبْدِي ‏.‏ وَإِذَا قَالَ ‏(‏ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ‏)‏ ‏.‏ قَالَ مَجَّدَنِي عَبْدِي – وَقَالَ مَرَّةً فَوَّضَ إِلَىَّ عَبْدِي – فَإِذَا قَالَ ‏(‏ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ‏)‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ ‏.‏ فَإِذَا قَالَ ‏(‏ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ * صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ‏)‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ ‏”‏ 

আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি স্বলাত আদায় করল অথচ তাতে উন্মুল কুরআন (সূরাহ ফা-তিহাহ্‌) পাঠ করেনি তার স্বলাত ত্রুটিপূর্ণ থেকে গেল, পূর্ণাঙ্গ হল না। এ কথাটা তিনবার বলেছেন। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করা হল, আমরা যখন ইমামের পিছনে স্বলাত আদায় করব তখন কী করব? তিনি বললেন, তোমরা চুপে চুপে তা পড়ে নাও। কেননা আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি, মহান আল্লাহ বলেছেনঃ আমার এবং আমার বান্দার মাঝে আমি স্বলাতকে অর্ধেক অর্ধেক করে ভাগ করে নিয়েছি এবং আমার বান্দার জন্য রয়েছে সে যা চায়। বান্দা যখন বলে, الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (সমস্ত প্রশংসা বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য), আল্লাহ তা’আলা তখন বলেনঃ আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। সে যখন বলে, الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ‏ (তিনি অতিশয় দয়ালু এবং করুণাময়); আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ বান্দা আমার প্রশংসা করেছে, গুণগান করেছে। সে যখন বলে, مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (তিনি বিচার দিনের মালিক), তখন আল্লাহ বলেনঃ আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে আল্লাহ আরো বলেনঃ বান্দা তার সমস্ত কাজ আমার উপর সমর্পণ করেছে। সে যখন বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি) তখন আল্লাহ বলেন। এটা আমার এবং আমার বান্দার মধ্যকার ব্যাপার। (এখন) আমার বান্দার জন্য রয়েছে সে যা চায়। যখন সে বলে,اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ * صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ (আমাদের সরল-সঠিক পথে পরিচালনা করুন। যেসব লোকদের আপনি নি’আমাত দান করেছেন, তাদের পথে নয় যাদের প্রতি আপনার গযব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে; তখন আল্লাহ বলেনঃ এসবই আমার বান্দার জন্যে এবং আমার বান্দার জন্যে রয়েছে সে যা চায়।

দলিল নং- ৮০। সহীহ বুখারী হাদিস নং ৭৫৬

عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ.

উবাদাহ ইবনু সমিত (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, রসুলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি স্বলাতে সূরাহ্ আল-ফাতিহা পড়ল না তার স্বলাত হলো না।

দলিল নং- ৮১। আবু দাউদ হাদিস নং ৮২২ (হাদিসের মান সহীহ)

عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَصَاعِدًا

উবাদা ইবনুস-সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। এই হাদীছের সনদ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌছেছে। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা এবং তার সাথে অতিরিক্ত কিছু পাঠ না করবে, তার স্বলাত পূর্ণাংগ হবে না।

দলিল নং- ৮২। সুনানে আদ দারাকুতনী হাদিস নং- ১১৮৩ (হাদিসের মান সহীহ)

عَنْ يَزِيدَ بْنِ شَرِيكٍ ؛ أَنَّهُ سَأَلَ عُمَرَ عَنِ الْقِرَاءَةِ خَلْفَ الْإِمَامِ ، فَقَالَ : اقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ، قُلْتُ : وَإِنْ كُنْتَ أَنْتَ ؟ قَالَ : وَإِنْ كُنْتُ أَنَا ، قُلْتُ : وَإِنْ جَهَرْتَ ؟ قَالَ : وَإِنْ جَهَرْتُ ، رُوَاتُهُ كُلُّهُمْ ثِقَاتٌ

ইয়াযীদ ইবনে শারীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি উমার (রাঃ)-এর নিকট ইমামের পিছনে ক্বিরাআত পাঠ করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, তুমি ফাতিহাতুল কিতাব পড়ো। আমি বললাম, যদি আপনি (ইমাম) হন? তিনি বললেন, যদিও আমি (ইমাম) হই (তবুও) । আমি বললাম, যদি আপনি সশব্দে (ক্বিরাআত) পড়েন? তিনি বলেন, যদিও আমি সশব্দে (ক্বিরাআত) পড়ি। এই হাদীসের সমস্ত রাবী নির্ভরযোগ্য।

নোটঃ প্রতি রাকাতে সুরা ফাতিহা পাঠ করা আবশ্যক। রসুল (সঃ) সাহাবীদেরকে সুরা ফাতিহা পাঠ করার জন্য সাকতা করতেন বা সময় দিতেন দুইবার। সুরা ফাতিহা শুরু করার পূর্বে এবং রুকু যাওয়ার পুর্বে এতে তাদের সুরা ফাতিহা পাঠ করা হয়ে যেত এবং সাথে সাথে তিলাওয়াত ও শুনা হতো কিন্তু আমরা আজ সুরা ফাতিহা পাঠ করার সময় পায়না। সুরা আরাফ এর ২০৪ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, وَ اِذَا قُرِیٴَ الۡقُرۡاٰنُ فَاسۡتَمِعُوۡا لَهٗ وَ اَنۡصِتُوۡا لَعَلَّكُمۡ تُرۡحَمُوۡنَ অর্থঃ আর যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তোমরা মনোযোগের সাথে তা শুন এবং নিশ্চুপ হয়ে থাক যাতে তোমাদের প্রতি দয়া করা হয়।

এই আয়াতের উপর ভিত্তি করে অনেক আলেম সুরা ফাতিহা পাঠ করতে নিষেধ করে। তাদেরকে প্রশ্ন, আপনারা যখন শব্দ করে তিলাওয়াত করেন তখন মুসুল্লিরা শুনে এতে এই আয়াতের আমল হয় কিন্তু যখন নীরব তিলাওয়াত করেন তখন মুসুল্লিরা কি করবে? জবাব নেই।

কুরআন ও হাদিসের আলোকে আমি যা করি, যেসকল রাকাতে ইমাম শব্দ করে তিলাওয়াত করেন সে সকল রাকাতে যদি ইমাম রসুল (সঃ) এর সুন্নাত অনুযায়ী সাকতা করেন বা সময় দেন তাহলে সাকতার সময় আমি সুরা ফাতেহা পড়ে নেই। আর যদি সুযোগ না পায় তাহলে শব্দ করে তিলাওয়াত করা রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়িনা। যা সুরা আরাফের ২০৪ নং আয়াতের নির্দেশ। আর যে সকল রাকাতে ইমাম নিঃশব্দে সুরা পড়েন সে সকল রাকাতে আমি সুরা ফাতিহা পড়ি ও অন্য সুরা বা আয়াত মিলিয়ে থাকি।   

সুরা ফাতিহার শেষে আমিন বলা

দলিল নং- ৮৩। সহীহ বুখারী হাদিস নং ৭৮০

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏”‏ إِذَا أَمَّنَ الإِمَامُ فَأَمِّنُوا فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏”‏‏.‏ وَقَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏”‏ آمِينَ ‏”‏‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম যখন ‘আমীন’ বলেন, তখন তোমরাও ‘আমীন’ বলো। কেননা, যার ‘আমীন’ (বলা) ও মালাইকাহর ‘আমীন’ (বলা) এক হয়, তার পূর্বের সব গুনাহ মা‘ফ করে দেয়া হয়। ইবনু শিহাব (রহ.) বলেন, রসূলূল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ‘আমীন’ বলতেন।

সুরা ফাতিহার সাথে অন্য সুরা মিলানো

চার রাকাত বিশিষ্ট ফরজ স্বলাতে প্রথম দুই রাকাতে সূরা ফাতিহার পর অন্য সূরা বা আয়াত মেলানো হানাফী মাযহাবের মতে ওয়াজিব। অন্যান্য মাযহাবে সুন্নাত। তবে সহীহ মত ফরজ স্বলাতে প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য সুরা না মিলিয়ে যদি রুকুতে চলে যায় তাহলে সাহু সিজদা দিতে হবে না। তবে উচিত হবে সূরা ফাতিহা পড়ার পর অন্য একটি সূরা বা আয়াত মিলানো। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কখনো লম্বা তিলাওয়াত করতেন কখনো সংক্ষেপ করতেন। সাধ্যমত যা সহজ সেটি পড়া উচিত। আল্লাহ তাআলা বলেন,

দলিল নং- ৮৪। সূরা আল মুজাম্মেল আয়াত- ২০

 فاقرَؤُوْا مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآن

অর্থাৎ, কাজেই কুরআনের যতটুকু অংশ পাঠ করা তোমাদের জন্য সহজ, ততটুকু তোমরা পাঠ কর।

দলিল নং- ৮৫। আবু দাউদ হাদিস নং-৮২০ (হাদিসের মান সহীহ)

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أُنَادِيَ أَنَّهُ لاَ صَلاَةَ إِلاَّ بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَمَا زَادَ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নির্দেশ দেন যে, আমি যেন ঘোষণা করে দেই যে, সূরা ফাতিহা এবং তার সাথে আল-কুরআনের কিছু অংশ (সূরা বা আয়াত) না মিলালে কিছুতেই স্বলাত বিশুদ্ধ হবেনা

আউয়াল ওয়াক্তে স্বলাত আদায়ের গুরুত্ব

সালাত আদায়ের পদ্ধতি (পর্ব-০১)

About Md Nazmul Azam

I am website developer.

Check Also

আউয়াল ওয়াক্তে স্বলাত আদায়ের গুরুত্ব

গোসল সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

গোসল দলিল নং- ৩৩। সুরা আন নিসা আয়াত নং- ৪৩ یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَقۡرَبُوا …

আউয়াল ওয়াক্তে স্বলাত আদায়ের গুরুত্ব

ত্বহারাত বা পবিত্রতা (অযু)

দ্বিতীয় অধ্যায় ত্বহারাত বা পবিত্রতা (অযু) ত্বহারাত শব্দের অর্থ পবিত্রতা। স্বলাত আদায়ের পূর্বশর্ত হলো পবিত্রতা …

আউয়াল ওয়াক্তে স্বলাত আদায়ের গুরুত্ব

ইমান ভঙ্গের কারনসমূহ

ইমান ভঙ্গের কারনসমূহঃ ঈমান নষ্ট হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে তার মধ্যে বিভিন্ন ইসলামিক গবেষকগণ কুরআনুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *